বিশ্বখ্যাত সাধক হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজার শরিফের দানবাক্সগুলো দীর্ঘ একমাস পর  আজ খোলা হয়েছে। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে দানবাক্সের ভেতরে থাকা দেশি-বিদেশি মুদ্রা গণনার কাজ চলছে।

এর আগে ১৫ আগস্ট তৃতীয়বারের মতো মাজারে দানের টাকা গণনা করা হয়। সেসময় নগদ ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও দেশি-বিদেশি মুদ্রার পাশাপাশি সোনা ও রুপার অলংকার পাওয়া যায়।

মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে গঠিত কমিটির সদস্য ও সিলেট উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একই প্রক্রিয়ায় চতুর্থবারের মতো মাজারের দানবাক্স ও ডেগগুলো খোলা হয়েছে। বিকেলে জানা যাবে এবার কত টাকা পাওয়া গেছে।

মাজারের ৭০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সিলেটের আলোচিত জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে গত ২২ জুন দানবাক্স খোলা হয়। সেদিন মাত্রা চারদিনে নগদ ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়া বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কারও পাওয়া যায়। পরে জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকার একটি চেক যুক্ত হওয়ায় ওই দফায় মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা।

এর ১৮ দিন পর গত ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় দানবাক্স খোলা হয়। সেসময় নগদ ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা পাওয়া যায়। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, স্বর্ণ ও রুপার সামগ্রী পাওয়া যায়।

সর্বশেষ ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় দানবাক্সের পাশাপাশি মানতের ডেগ খোলা হয়। সেদিন নগদ ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা পাওয়া যায়। এসময়ও দেশি-বিদেশি মুদ্রার পাশাপাশি সোনা ও রুপার অলংকার পাওয়া যায়।

তিন দফায় নগদ অর্থ হিসেবে মোট ১ কোটি ৪০ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭৪ টাকা পাওয়া গেছে। এসব অর্থ প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে মাজারের তহবিলে জমা রাখা হয়েছে।

 

Facebook Comments Box