আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানী ও গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সাতজন শিক্ষক-গবেষক। তাঁদের এ অর্জনে দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাক্ষেত্রে নতুন গৌরব যুক্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ারের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ডস টপ ২% সায়েন্টিস্টস’ তালিকায় তাঁদের নাম উঠে আসে।

তালিকা তৈরিতে গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, এইচএম-ইনডেক্স, একক ও প্রধান লেখক হিসেবে অবদান, গবেষণার ধারাবাহিকতা এবং সহলেখকদের প্রভাবসহ বিভিন্ন সূচক বিশ্লেষণ করা হয়। এসব তথ্যের সমন্বিত গাণিতিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে গবেষকদের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।

তালিকায় স্থান পাওয়া সাত গবেষক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক-গবেষক এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন, তাঁরা হলেন—

১. অধ্যাপক ড. এ. এন. এম. আলমগীর — উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ।

২. অধ্যাপক ড. খান তৌহিদ ওসমান — মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগ।

৩. অধ্যাপক ড. এস. এম. আবে কাউছার — রসায়ন বিভাগ।

৪. প্রভাষক ইমরানুল কবির — রসায়ন বিভাগ।

৫. অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান — বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ।

৬. অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন — কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।

৭. অধ্যাপক ড. এস. এম. শরিফুজ্জামান — ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস।

গবেষণায় এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা

এ অর্জনে আনন্দ প্রকাশ করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, সহকর্মীদের এমন সম্মানজনক অবস্থান অর্জনে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। তাঁর প্রত্যাশা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে গবেষণার চারণভূমিতে পরিণত হবে। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত গবেষকদের আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান।

শিক্ষা ও গবেষণার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত শিক্ষক-গবেষকের এই স্বীকৃতি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জ্ঞানচর্চা, উদ্ভাবন ও গবেষণার মানোন্নয়নে ইতিবাচক অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাররূপের পক্ষ থেকে সম্মানিত সাত শিক্ষক-গবেষককে আন্তরিক অভিনন্দন। তাঁদের গবেষণালব্ধ জ্ঞান দেশ ও মানবকল্যাণে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখুক।

তথ্যসূত্র: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ।

Facebook Comments Box